কাউকে ভালো স্বপ্ন বলতে হয় না, এতে নাকি স্বপ্ন আর ফলে না! এই কথাটাকে আমরা সবাই কুসংস্কার ভাবতাম। কিন্তু সাইকোলজিক্যাল রিসার্চারদের মতে, আপনার লক্ষ্য কাউকে বলবেন না। এতে করে আপনার মোটিভেশন কমে যাবে কাজটার উপর থেকে। যার ফলে কাউকে আপনার লক্ষ্য সম্পর্কে বললে, সেই লক্ষ্য পূরণ হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে কম!

আপনি যখন প্রত্যেক রাতে ঘুমাতে যান তখন যদি কারো কথা আপনার ব্রেইনে ঘুরতে থাকে, তাহলে সে হয় আপনার ভালোবাসার মানুষ হবে না হয় আপনাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়া একজন মানুষ হতে পারে!

আপনি যে ধরণের গান শুনেন, সেই গানের উপরে নির্ভর করেই আপনার আশেপাশের অবস্থা, আপনার পারসপেকটিভের পরিবর্তন আসে।

একটা মজার ব্যাপার জানেন কি?
আপনি যদি কোনো রোমান্টিক রিলেশনে জড়িত থাকেন তাহলে আপনার মাঝে যে ধরণের গুণ দেখা দেবে সেই একই ধরণের গুণ দেখা দেয়, যখন অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিসঅর্ডারে একটা মানুষ ভোগে!

মানুষের বিশ্বাস নিয়ে আমি বারবার কথা বলি! বিশ্বাসের উপরে কিছুই নেই! বিশ্বাস করলে সবই সম্ভব। ধরুন আপনি সারা রাতে মাত্র দুই এক ঘন্টা ঘুমালেন। কিন্তু ব্রেইনকে আমি যদি বিশ্বাস করাতে পারেন যে, আপনি পাঁচ ছয় ঘটা ঘন্টা ঘুমিয়েছেন, তাহলে বেইন সেটা বিশ্বাস করে নেয়। আর সেভাবেই আপনার শরীরকে চালাতে শুরু করে!

যে মানুষটা সবসময় হাসে, সে মানুষটার সাথে থাকলে আপনিও সুখী থাকবেন। এটা জানেন? যার মুড অলওয়েজ অফ থাকে, তার সাথে থাকলে আপনিও অফ থাকবেন, সবসময়েই!

ফেসবুক আর ইন্সটাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়াগুলো খুবই সহজ করে দিয়েছে আমাদের জীবনযাপন, তাই না? জানেন কি, ৯০ শতাংশ মানুষ ফেসবুকে আরেকজনকে সেটাই বলে, যেটা সে সরাসরি তার সামনে বলতে পারবে না। আর ইন্সটাগ্রামে তার ছবিই দেখে, যাকে সে কোনোদিনও পাবে না!

আপনার প্রিয় গান কোনটা? কেনো আপনার প্রিয় গান আপনার এত প্রিয়? কারণ? এই গানের প্রত্যেকটা লাইন, প্রত্যেকটা বিট, প্রত্যেকটা তাল আপনার জীবনের কোনো একটা ঘটনার সাথে জড়িত! তাই না? গানের কথায় মনে পড়লো! আপনি কি ডিপ্রেশন আর উদ্বিগ্নতায় ভুগছেন? তাহলে গান গাইতে পারেন! গান এ দুটোর মোক্ষম ওষুধ!

আপনি দৌড়াতে গিয়ে যে পরিমাণ আঘাত পান, ঠিক সেই পরিমাণ আঘাতই আপনার ব্রেইনে পৌঁছায় যখন কেউ আপনাকে ইগনোর করে। এখন তাহলে আমরা বলতে পারবো যে, আসলে কি পরিমাণ আঘাত আমরা পাই, যদি কেউ আমাদের ইগনোর করে থাকে! তাই না? ঠিক একইভাবে একটা রিজেকশনের পর আপনার কি পরিমাণ ব্যাথা লাগে? বা আপনার ব্রেইনে কি পরিমাণ আঘাত পৌঁছায় বলতে পারবেন? ৫০ কেজি ওজনের কিছু যদি আপনাকে আঘাত করে তখন যে পরিমাণ ব্যাথা আপনার শরীরে অনুভূত হয়, ঠিক সেই পরিমাণ ব্যাথাই ব্রেইনে অনুভূত হয় যখন কেউ আপনাকে রিজেক্ট করে!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *